চট্টগ্রাম বন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা ৩ হাজার টন পণ্য ধ্বংস

  • মো:নাজমুল হোসেন ইমন, চট্টগ্রাম
  • 24 Aug 2026, 07:35 PM
চট্টগ্রাম বন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা ৩ হাজার টন পণ্য ধ্বংস Photo: courtesy
ad
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে ১২৬ কনটেইনারে থাকা প্রায় ৩ হাজার ২২৬ টন পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বন্দরের রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে গর্ত করে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়। প্রথম দিনে ১০ কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস।

ধ্বংসের তালিকায় থাকা পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ৯৩৫ টন খেজুর ও প্রায় ১ হাজার ২ টন মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ। পাশাপাশি রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোন ও বেনটোনাইট পাউডার। পচে যাওয়া কমলা, পেঁয়াজ, নারিকেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যও রয়েছে এই তালিকায়।

কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর এসব পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

কাস্টমস সূত্র বলছে, বন্দরে পণ্য নামানোর পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানিকারককে তা খালাস করতে হয়। সময়মতো পণ্য না নিলে প্রথমে নোটিশ দেওয়া হয়। এরপরও খালাস না হলে আইন অনুযায়ী পণ্য নিলামে তোলা হয়। নিলামে বিক্রি না হওয়া কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়া পণ্য জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ধ্বংস করা হয়।

দীর্ঘদিন বন্দরে কনটেইনার পড়ে থাকলে জায়গা সংকটের পাশাপাশি বাড়ে সংরক্ষণ ব্যয়। বিশেষ করে রেফ্রিজারেটেড কনটেইনারে থাকা পণ্যের জন্য দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু রাখতে হয়। ফলে এসব পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি করা বন্দরের ব্যবস্থাপনার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস অকশন শেডে পাঁচ কনটেইনারে থাকা এনার্জি ড্রিংক ও পারসোনাল কেয়ার পণ্য ধ্বংস করা হয়েছিল।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধ্বংস কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর কনটেইনারগুলো খালি করে সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্টদের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।

Comment