সামাজিক উন্নয়ন
ও পরিবেশ
সুরক্ষায় সচেতনতা
সৃষ্টির লক্ষ্যে
যশোর সদরের
ডুশেখ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মাঝে
ফলজ গাছের
চারা বিতরণ
করেছে প্রিসেভ
সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশন (PSWO)। সম্প্রতি আয়োজিত
এ বৃক্ষ
বিতরণ অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি
হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন যশোরের
অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক (সাধারণ)
সুজন সরকার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন প্রিসেভ
সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশন ও
Kaas Trade-এর চেয়ারম্যান
খায়রুল কবির
চঞ্চল। অনুষ্ঠানটি
সঞ্চালনা করেন
সংগঠনের নির্বাহী
সদস্য ও ডেইলি ক্যাপিটালভিউস
এর ম্যানেজিং এডিটর মো. রবিউল
ইসলাম। এ
সময় সংগঠনের
অন্যান্য নির্বাহী
সদস্য, বিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা কমিটির
সদস্য, শিক্ষক
ও শিক্ষার্থীরা
উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের
চতুর্থ ও
পঞ্চম শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে
মোট ১৫০টি
হাইব্রিড আমগাছের
চারা বিতরণ
করা হয়।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে
একটি করে
আমগাছের চারা
দেওয়া হয়।
এর মাধ্যমে
শিক্ষার্থীদের মধ্যে
বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ
সংরক্ষণ এবং
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য সবুজ
পরিবেশ গড়ে
তোলার বিষয়ে
আগ্রহ ও
দায়িত্ববোধ সৃষ্টি
করাই ছিল
আয়োজনের মূল
উদ্দেশ্য। প্রধান
অতিথির বক্তব্যে
অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক (সাধারণ)
সুজন সরকার
প্রিসেভ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশনের এ
ধরনের সামাজিক
ও পরিবেশবান্ধব
উদ্যোগের প্রশংসা
করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের
উদ্দেশে বলেন,
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে
তার পাওয়া
আমগাছের চারাটিকে
সন্তানের মতো
যত্ন নিতে
হবে, যাতে
গাছটি বড়
হয়ে ভবিষ্যতে
ফল দিতে
পারে। একটি
গাছ শুধু
আমাদের ফলই
দেয় না,
পরিবেশের ভারসাম্য
রক্ষা এবং
মানুষের প্রয়োজনীয়
অক্সিজেন সরবরাহেও
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখে। তাই
গাছ লাগানোর
পাশাপাশি এর
যথাযথ পরিচর্যা
ও সংরক্ষণ
করাও অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে
সংগঠনের চেয়ারম্যান
খায়রুল কবির
চঞ্চল বলেন,
সামাজিক দায়িত্ববোধ
থেকে প্রিসেভ
সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশন দীর্ঘদিন
ধরে বিভিন্ন
ধরনের জনকল্যাণমূলক
কার্যক্রম পরিচালনা
করে আসছে।
পরিবেশ রক্ষা
ও নতুন
প্রজন্মের মধ্যে
বৃক্ষপ্রেম গড়ে
তুলতে ভবিষ্যতেও
এ ধরনের
কার্যক্রম অব্যাহত
রাখার প্রত্যয়
ব্যক্ত করেন
তিনি।
উল্লেখ্য,
প্রিসেভ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন
(PSWO) যশোরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ২০১৬ সাল থেকে সংগঠনটি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটির কয়েকজন সমমনা ও সমাজসচেতন ব্যক্তির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা,
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি,
উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামাজিক সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
সংগঠনের নির্বাহী সদস্যরা জানান,
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে টেকসই সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখাই সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য।
