জয়পুরহাট ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  • জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • 22 Sep, 2026, 05:53 PM
জয়পুরহাট ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ছবি: ডিসিভি
ad
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর বর্তমান মার্কেট, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পুনাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ব্যাংকের সামনে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য দেন ফোরামের জয়পুরহাট কমিটির সভাপতি এনামুল হক হেলাল, সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বাতেন, ব্যাংক গ্রাহক জালাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ব্যাংক গ্রাহক আব্দুল আজিজ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, ঠিক সেই সময়ে ব্যাংকটিকে অস্থিতিশীল করে তোলার গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের হাতে নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের পর থেকেই ব্যাংকটি দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংকটির পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিলেও বর্তমান সময়ে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র ব্যাংক প্রাঙ্গণে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ব্যাংকটির সুশাসন ফিরিয়ে আনতে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পিত আস্থার জায়গায় আঘাত হানার অর্থ হলো পুরো দেশের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলা। তাই ব্যাংকিং খাতের এই সংকট উত্তরণে কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। 
দাবিগুলোর মধ্যে হলো: অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যাংকার ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী বোর্ড গঠন করতে হবে; ব্যাংক ডাকাত খ্যাত এস আলম গ্রুপের সকল অবৈধ হস্তক্ষেপ চিরতরে বাতিল করতে হবে;  বিগত বছরগুলোতে ব্যাংক থেকে সংঘটিত অর্থ লুটপাটের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের কঠোর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। 
বক্তারা কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে উত্থাপিত ৭ দফা দাবি মেনে নেওয়া না হলে সাধারণ গ্রাহক ও অংশীজনদের নিয়ে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামে সাধারণ মানুষ যেভাবে রাজপথে রক্ত দিয়েছে, প্রয়োজনে ব্যাংক রক্ষা ও অর্থনৈতিক মুক্তির স্বার্থে সেই আন্দোলন কঠিন থেকে কঠিনতম করা হবে।

Comment